আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো ইজতেমা

অনলাইন ডেস্ক:  মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এবারের বিশ্ব ইজতেমা। টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে তাবলিগ জামাতের এই বিশ্ব সম্মিলন এবারও দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। শেষ পর্বে অংশ নেন দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা। আর প্রথম পর্বে ইজতেমা করেন সাদবিরোধীরা।

এ সময় ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে মধ্যাহ্নের আকাশ-বাতাস মুখরিত করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় লাখ লাখ মুসল্লি আকুতি জানান। রবিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জামশেদ। মোনাজাতের আগে হেদায়াতি বয়ান হয়।

দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সকাল থেকেই হাজার হাজার মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নেন। সকাল ১০টার আগেই ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

মোনাজাতে বলা হয়, মাওলানা জমশেদ মোনাজাতে বলেন, হে আল্লাহ তুমি তো ক্ষমাশীল, তোমার কাছেই তো আমরা ক্ষমা চাইব। দ্বীনের ওপর আমাদের চলা সহজ করে দাও। হে আল্লাহ, তুমি আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাও। আমরা যেন তোমার সন্তুষ্টি মাফিক চলতে পারি সে তওফিক দাও। দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করো। নবীওয়ালা জিন্দেগি আমাদের নসিব করো। ইজতেমাকে কবুল ও মঞ্জুর করো। আমাদের ঈমানকে মজবুত করে দাও। দ্বীনের পথে মেহনত করার তওফিক দান করো।

আখেরি মোনাজাতের জন্য রবিবার ভোর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল থেকে আসা গাড়িগুলো ভোগড়া বাইপাস এলাকায় আটকে দেওয়া হয়। সিলেট রুটের গাড়িগুলো মিরের বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এছাড়া সাভার ও আশুলিয়া থেকে আসা গাড়িগুলো কামারপাড়া ব্রিজের আগেই থামানো হয়।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে গাজীপুর ও টঙ্গীর সকল কারখানায় ছুটি ছিল। ফলে এবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সমস্যা হয়নি।

বাংলাদেশ বুলেটিন/এস কে