রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তার মতে, রাশিয়া মিয়ানমারের ওপর চাপ দিলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন বদলে যাবে।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি অভিাজত হোটেলে রাশিয়া বিষয়ক ৫ম এশিয়ান কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, মিয়ানমারের ওপর রাশিয়ার অনেক প্রভাব রয়েছে। রাশিয়া যদি মিয়ানমারকে যথেষ্ট চাপ দিতে পারে, তাহলে হয়তো রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়া অনেক পুরনো বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই থেকে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি হয়। কিন্তু পঁচাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর সেই সম্পর্কে ভাটা পড়ে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আবারও পুরনো সম্পর্ক নতুন করে গড়ে ওঠে। শেখ হসিনা ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে। উন্নয়ন নিশ্চিতে দুই দেশের মধ্যে অনেকগুলো চুক্তিও সই হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এর মধ্যে অন্যতম। এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের পরিধি বাংলাদেশ আরও বাড়াতে চায়। বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধি এখন ৮ দশমিক ১ শতাংশ। বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, বাংলাদেশ এখন দ্রুত গতিতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করছে। তাই বাংলাদেশে এখনই বিনিয়োগের উত্তম সময়। এখানে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিশে বিরাজ করছে। তাই রাশিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের সুযোগ নিতে পারে।

বাংলাদেশ বুলেটিন/এমআর