লেনদেন বাড়লেও শেয়ারবাজারে সূচক নিম্নমুখি

অনলাইন ডেস্ক: গত সপ্তাহে আবারও দরপতনে পার করেছে শেয়ারবাজার। যদিও গত সপ্তাহে ৫ দিনের মধ্যে ৪ কার্যদিবস সূচক বেড়েছে আর এক কার্যদিবস সূচক কমেছে। অর্থাৎ বাড়া-কমার হিসাব শেষে গত সপ্তাহে উভয় শেয়ারবাজারের প্রধান প্রধান সূচক কমেছে। সূচক কমলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টাকার পরিমাণে লেনদেন বেড়েছে। তবে লেনদেন কমেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। বেশিরভাগ দিন সূচক বাড়লেও মূলত একদিনের বড় পতনের কারণেই নেতিবাচক ছিল সূচক।

যদিও গত সপ্তাহে জুন ক্লোজিংয়ের কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের বেশি আগ্রহ ছিল। গত কিছুদিন ধরে অব্যাহত দরপতনে যেসব কোম্পানির শেয়ার লোভনীয় পর্যায়ে চলে এসেছিল, সেইসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি ছিল।

সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১ হাজার ৯৮১ কোটি ৪৯ লাখ ৯১ হাজার ২৬০ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৫৮৩ কোটি ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ২৪২ টাকা বা ৪১.৭২ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৩৯৮ কোটি ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ১৮ টাকার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৮ হাজার ২৫২ টাকার। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছিল ৩৪৯ কোটি ৫৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫৪ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন ৪৬ কোটি ৭৫ লাখ ২৪ হাজার ৪৯৮ টাকা বেশি হয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ পয়েন্ট বা ০.০৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০৬ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরীয়াহ সূচক ০.৮৫ পয়েন্ট বা ০.০৮ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বা ০.৭৬ শতাংশ কমে সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১ পয়েন্ট ও ১ হাজার ৬৫০ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৫৫ প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭২টি বা ৪৮ শতাংশের, কমেছে ১৪৮টির বা ৪২ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির বা ১০ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহজুড়ে ৮১ কোটি ২০ লাখ ২৩ হাজার ৫২৯ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১৮৭ কোটি ৪১ লাখ ৮৮ হাজার ১৪ টাকার। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন ১০৬ কোটি ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৮৫ টাকা বা ৫৬.৬৭ শতাশ কমেছে।

বাংলাদেশ বুলেটিন/জিএম