চলে গেলেন ‘কাট-কপি-পেস্ট’-এর জনক ল্যারি টেসলার

অনলাইন ডেস্ক: কখনও ভেবে দেখেছেন, কাট/কপি/পেস্ট যদি না থাকত তবে আপনার জীবনটা কেমন হত! অফিসে বা বাড়িতে কম্পিউটারে কাজ করার সময় কতবার আপনি এই কমান্ড ব্যবহার করেন নিজেই হিসেব রাখতে পারবেন না। সেই কাট/কপি/পেস্টের জনক ল্যারি টেসলার চলে গেলেন।

বিল গেটস, স্টিব জোবস, ডেনিস রিচির মতো তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ততটা পরিচিত না হলেও টেকনলজির সঙ্গে জড়িত মানুষের কাছে ল্যারি টেসলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান, বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। ১৯৪৫ সালের ২৪ এপ্রিল নিউ ইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন ল্যারি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সের ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৬০-এর দশকে। ল্যারি অ্যাপল, অ্যামাজন, ইয়াহু, জেরক্সের মতো সংস্থায় কাজ করেছেন।

পড়াশোনা শেষ করার পর তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা জেরক্স-এ যোগ দেন। সেখানে কাজ করার সময় ১৯৭০ সাল নাগাদ তিনি এই কাট/কপি/পেস্টের কনসেপ্ট আবিষ্কার করেন। সে সময় তিনি জেরক্স পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টারে কাজ করছিলেন।

জেরক্সের পর তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপল-এ যোগ দেন। সেখানে তিনি ১৯৮০ থেকে ১৯৯৭-এর মাঝামাঝি পর্যন্ত কাজ করেন। অ্যাপল নেট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট-এর দায়িত্ব সামলেছেন। এর পর তিনি নিজে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন, ‘স্টেজকাস্ট সফটওয়ার’। এই সংস্থা, বাচ্চাদের প্রোগ্রামিং কনসেপ্ট শিখতে সাহায্য করে। পরে অ্যামাজনে যোগ দেন। সেখান থেকে যোগ দেন ইয়াহুতে। মৃত্যুর আগে তিনি সান ফ্রানসিস্কোর বে এরিয়াতে নিজের অফিসে টেকনোলজি সংক্রান্ত কনসালটেন্সির কাজ করেতেন।

নেটাগরিকরা তাঁর অবদান মনে করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন ল্যারি টেসলারকে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করেছেন তাঁকে নিয়ে। আপনিও চাইলে এই লিঙ্কটি নিজের টাইম লাইনে কপি করে পেস্ট কর শ্রদ্ধা জানাতে পারেন কাট/কপি/পেস্টের জনককে।

বাংলাদেশ বুলেটিন/এস কে