ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ ই-পেপার

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২১ : করোনাকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের গুরুত্ব

ড. মতিউর রহমান ও শিশির রেজা

২০২১-০৬-০৪ ১৮:০৯:২৪ /

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সারাবিশ্বকেই ওলটপালট করেছে। ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে করোনা ভাইরাস রোগটি সনাক্ত হয়। বাংলাদেশে এটি সনাক্ত হয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। সে হিসেবে আজ পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত এক বছর তিনমাসের মত সময়ে এই রোগটি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বকে ব্যাপকভাবে পাল্টে দিয়েছে। কোভিড-১৯ আমাদের চিরচেনা জগৎটাকে সবদিক দিয়ে অপরিচিত করে দিয়েছে। মানুষের জীবনযাপন পদ্ধতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন এইরোগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই রোগের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, স্বাস্থ্যগত ও মনস্তাত্ত্বিক অভিঘাত নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক গবেষণা হয়েছে। এসব গবেষণায় উঠে এসেছে পরিবেশের উপর মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচারের ফলে কোভিড-১৯ এর মত ভয়ংকর বিপর্যয় সৃষ্টিকারী রোগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে যা পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এমতাবস্থায়, বিশ্ব পরিবেশ দিবস  পালনের অপরিহার্যতা তাৎপর্য বহন করে।

আমরা জানি সভ্যতার শুরু থেকে থেকে মানুষ এবং পরিবেশ পরস্পর পরস্পরের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মানুষ জীবনে বেঁচে থাকার সকল প্রকার উপাদান সংগ্রহ করে তার চারপাশের পরিবেশ-প্রতিবেশ থেকেই। আবার সেই মানুষই স্বার্থপরের মত পরিবেশকে শোষণ করে যথেচ্ছভাবে। যে পরিবেশের উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতার এতো উন্নতি ও সমৃদ্ধি, সেই পরিবেশের এমন নির্মম শোষণ সভ্যতার পক্ষে প্রতিকূল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে দেখা দেখা দিয়েছে পরিবেশের নানা ধরনের অবক্ষয়, বিপর্যয় এবং যার ফলস্বরূপ এসেছে কোভিড-১৯ এর মত মারাত্মক ব্যাধি, বিপর্যস্ত হয়েছে বিশ্বসমাজ। প্রকৃতি আমাদের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো অনেকেই করোনা মহামারীতে পর কিছুটা বুঝতে পেরেছেন। প্রকৃতির সাথে সম্পর্কের অবক্ষয় মানুষকে ঠেলে দিয়েছে নিশ্চিত ধ্বংসের পথে। তাই পরিবেশ ও মানুষের পারস্পারিক অঙ্গীভূত নিবিড় সম্পর্ককে উদ্যাপনের উদ্দেশ্যে প্রতিবছরের জুন মাসের ৫ তারিখে পালন করা হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। মানুষ ও প্রকৃতির চিরন্তন বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। 

পরিবেশের ন্যূনতম সাহায্য ছাড়া মানব সভ্যতার অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। তাই আদিম যুগে মানুষ নিজের পরিবেশকে ঈশ্বর রূপে শ্রদ্ধা করত। পারস্পারিক গূঢ় এই মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমেই মানব সভ্যতা সমৃদ্ধির মুখ দেখে। কিন্তু আধুনিক যুগের সূচনালগ্নে যখন মানুষ বস্তুকেন্দ্রিক জীবনযাপনের মায়াজালে জড়িয়ে পড়ল তখন থেকে পরিবেশের উপর শুরু হলো অত্যাচার। যে পরিবেশকে আশ্রয় করে মানুষ নিজের সভ্যতা গড়ে তুলে জীবনের উপাদান সংগ্রহ করত, সামান্য সুখ ভোগের সংকীর্ণ স্বার্থ চরিতার্থ করার নেশায় মেতে উঠে এবার তারই ওপর শুরু করলো ব্যাপক যথেচ্ছাচার। মানুষের লোভের করাল গ্রাসে ধ্বংস হতে থাকলো প্রকৃতি। আধুনিক সভ্যতা, বিশেষ করে শিল্প বিপ্লবের পর থেকে মানুষের জীবন আবর্তিত হতে শুরু করল বস্তুকেন্দ্রিক ভোগবিলাসকে ভিত্তি করে। সেই ভোগের বাসনা মেটাতে ব্যাপক যথেচ্ছাচার শুরু হল পরিবেশের উপর। আধুনিক যুগের প্রথম পর্যায়ে মানুষ তথাকথিত উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিশ্ব জুড়ে বিস্তৃত বনভূমি নির্বিচারে ধ্বংস করতে শুরু করল। অন্যদিকে শিল্পবিপ্লবের অমোঘ ফল হিসেবে দূষিত হতে থাকলো ভূমি, জল, বায়ু। একদিকে যেমন সমুদ্রের পানিতে মিশতে থাকলো বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, অন্যদিকে তেমন বাতাসে নির্গত হল নানা বিষাক্ত গ্যাসের বাষ্প। কৃষির উন্নতি ও অধিক ফলনের আশায় জমির ওপর শুরু হলো ব্যাপক মাত্রায় কীটনাশক রাসায়নিক সারের প্রয়োগ। পৃথিবীকে তথাকথিত সুস্থভাবে বসবাসযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রাণিকূলের উপর শুরু হল নির্বিচার হত্যালীলা। বিশ্ব থেকে একে একে নির্মূল হয়ে যেতে থাকলো নানা গুরুত্বপূর্ণ পোকামাকড়, পশুপাখি, এমনকি অমূল্য সম্পদ গাছপালা। আমাদের মনে রাখা দরকার পৃথিবীতে পরিবেশের প্রত্যেকটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র উপাদানও মানব সভ্যতার অস্তিত্বের মতনই সমানভাবেই প্রাসঙ্গিক। এই প্রাসঙ্গিকতার দ্বারা সৃষ্টির ভারসাম্য রক্ষা হয়ে থাকে। বিশ্বসংসারের এই সকল প্রাসঙ্গিক ও অপরিহার্য উপাদানকে ধ্বংস করলে সৃষ্টির আদিমতম ভারসাম্য বিনষ্ট হয়। ফলে প্রকৃতির উপর অনিয়ন্ত্রিত যথেচ্ছাচার ফিরে আসে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের রূপ নিয়ে।

মানুষ বর্তমান যুগে তেমনি বিভিন্ন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রকৃতির প্রতি মানুষের চূড়ান্ত অবহেলা ও নির্বিচার শোষণে বিধ্বস্ত পৃথিবীর বুকে ধ্বংসের অভিশাপরূপে নেমে এসেছে করোনা মহামারির মত বিপর্যয়। যেমন সমুদ্রের বুকে মানুষের কদর্য লালসার অনিবার্য ফল হিসেবে ক্রমাগত ধ্বংস হয়ে চলেছে সমুদ্রের বৈচিত্র্যময় জীবজগৎ, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। অন্যদিকে আধুনিক তথাকথিত উন্নয়নের আগুনে গরম হয়ে উঠছে সমগ্র পৃথিবীর আবহাওয়া যার অনিবার্য ফল বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং। আধুনিক শিল্পের নানা বিষবাষ্পের রোষানলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণিজগতের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য অপরিহার্য ওজোন স্তর। আকাশ থেকে শান্তির বারিধারার বদলে আজ নেমে আসছে অ্যাসিড বৃষ্টি। ভূমির উপর অধিক ফলনের লোভে অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় কীটনাশক রাসায়নিক সার প্রয়োাগের ফলে ভূমি উর্বরতা হারিয়ে বন্ধ্যাত্বপ্রাপ্ত হচ্ছে। মানুষের জীবনধারণের শস্যে তথা পানীয় জলে মিশে যাচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক।

পরিবেশের ওপর মানুষের যথেচ্ছাচারের অনিবার্য ফল হিসেবে নেমে আসা নানা বিপর্যয়ে প্রতিনিয়ত বিধ্বস্ত হচ্ছে মানব সভ্যতাও। বিপদের এই পর্যায়ে আমাদের মনে রাখা দরকার যে পরিবেশ ও প্রকৃতি মানব সভ্যতার উপর নির্ভরশীল নয় বরং মানব সভ্যতাই সর্বতোভাবে নির্ভরশীল এই বিশ্ব প্রকৃতির উপর। প্রাণিজগতের উপর মানুষের নির্বিচার শোষণে বিপর্যস্ত বাস্তুতন্ত্রে আজ নানাভাবে টান পড়ছে সর্বভুক মানবজাতির খাদ্যভাণ্ডারেও। মানুষের পানীয় জল হয়ে উঠছে বিষাক্ত, অন্যদিকে রাসায়নিক, কীটনাশক আর হাইব্রিডের বাড়বাড়ন্তে জীবনধারণের খাদ্যও উঠছে বিষিয়ে। আবার এত কিছুর উপরে বিষাক্ত বায়ুর মধ্যে প্রতিনিয়ত নিঃশ্বাস নিতে বাধ্য হচ্ছে আধুনিক যুগের উন্নত মানুষ। খুব স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে শরীরের ভিতরে দানা বাঁধছে নানা প্রকার মারণ রোগ। ক্রমশ বেড়েই চলেছে হৃদরোগ, ফুসফুসের ব্যাধি, চর্মরোগ, অ্যালঝাইমার, ক্যান্সার ইত্যাদির প্রবণতা।

আশার কথা হলো, বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগ থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বহু শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ সভ্যতার এই ভয়ানক পরিণতির কথা আঁচ করতে পেরে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করার কথা বলেন। ক্রমেই পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন বিশ্বজুড়ে জোরদার হতে থাকে। আন্তর্জাতিকভাবে নির্দিষ্ট একটি সাংগঠনিক সংবিধি তৈরি করে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করার দাবি উঠতে থাকে। এইভাবে ধীরে ধীরে প্রস্তুত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতিষ্ঠার পটভূমি। সময় যত এগোচ্ছে ততোই বাড়ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের গুরুত্ব, উদ্যম এবং প্রয়োজনীয়তাও। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিচ্ছন্নতার প্রসার, দূষণ রোধ এবং বৃক্ষরোপণ। আন্তর্জাতিক স্তরে অন্তর্দেশীয় লাভজনক তথা অলাভজনক বিভিন্ন সংস্থা এমনকি নানা অন্তর্দেশীয় কোম্পানিও এই দিনটিতে বিশ্বব্যাপী বনসৃজন, বন সংরক্ষণ, সাগর মহাসাগর পরিষ্কার করা, সকল প্রকার দূষণ রোধের মতন নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।

যে পরিবেশের উপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে আজকের উন্নত মানব সভ্যতা, যে পরিবেশ আমাদের সমাজকে দিয়েছে বর্তমানের সমৃদ্ধি, সেই পরিবেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটি দিন উৎসর্গ করা আমাদের সকলের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। করোনা মহামারিকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের গুরুত্ব অপরিসীম।আমাদের চারপাশের প্রকৃতি বা পরিবেশই হলো বর্তমানকালের উচ্চবিলাসী মানুষের উন্নত সমৃদ্ধ সভ্যতার মূল ধারক। এই ধারক ও বাহকের মূলসত্তাই যখন গোড়া থেকে বিষিয়ে ওঠে সভ্যতারই ক্রিয়াকলাপে, তখন আপাতদৃষ্টিতে উন্নত বলে মনে হওয়া সমাজ অচিরেই ভেঙে পড়ে তাসের ঘরের মতো। সেই ভাঙ্গনকে আটকানোর জন্য প্রয়োাজন পরিবেশ রক্ষার। আর এখানেই বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে একটি দিন পালনের গুরুত্ব। এই দিনটি পালন এর মধ্যে দিয়ে সমাজের সর্বস্তরের কাছে পৌঁছে যায় পরিবেশ সচেতনতার বার্তা। পরিবেশ এবং সভ্যতার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সম্বন্ধে বহুলাংশে অজ্ঞ সাধারন মানুষ এই দিনটি পালনের মধ্য দিয়ে মানব জাতির অস্তিত্ব রক্ষায় পরিবেশের গুরুত্বের অসীমতা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। বর্তমানকালে বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা প্রাকৃতিক পরিবেশেকে রক্ষা এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশের পুনঃস্থাপনের উদ্দেশ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের গুরুত্ব অসীম। সময়ের সাথে সাথে এই অসীমতা বাড়ছে বৈ কমছে না। তবে পরিবেশের রক্ষার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে একটি দিনকে পালন করাই যথেষ্ট নয়। এই দিনটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো সুস্থ পরিবেশের পুনঃস্থাপন। সমাজের সর্বস্তরে সকল মানুষ যদি পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে অনতিবিলম্বে সচেতন না হয়ে ওঠে তাহলে এই মহৎ উদ্দেশ্য অধরাই থেকে যায়। সেজন্য বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের সাথে সাথে এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য সম্পর্কেও আমাদের সর্বপ্রথম সচেতন হয়ে উঠতে হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২১-এর থিমটি হল ‘বাস্তুসংস্থান পুনরুদ্ধার’। এই পুনরুদ্ধারের রূপ হতে পারে যেমন অধিকমাত্রায় বনায়ন, নগর অঞ্চলে অধিক হারে গাছপালা লাগিয়ে শহরগুলোকে সবুজের আওতায় আনা, বাগান বাড়ানো, আমাদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা, নদী এবং উপকূল পরিষ্কার করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা, উর্বর মাটির বৃদ্ধিতে রাসায়নিকের বিকল্প উদ্ভাবন, বন, খামারভূমি, শহর, জলাভূমি এবং মহাসাগরসহ সকল ধরণের বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা, ইত্যাদি। অর্থাৎ আমাদের পুরো ইকোসিস্টেমটাকে পুনরুদ্ধার করতে হবে।

সেই সাথে উদ্যোগ নিতে হবে নিজেদের চারপাশের মানুষের মধ্যে সচেতনতার প্রসারের জন্যে। আর সর্বোপরি পরিবেশ সম্পর্কে নিজেদের মূল্যবোধকে গড়ে তুলতে হবে দৃঢ়ভাবে। একমাত্র তাহলেই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সাফল্যমণ্ডিত হয়ে উঠবে এবং সেটাই হবে ধরিত্রীর বুকে মানবসভ্যতার ধারক ও বাহকের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধার শ্রেষ্ঠ অর্ঘ্য।

লেখকদ্বয় : গবেষণা পরামর্শক, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (এইচডিআরসি), ঢাকা এবং পরিবেশ বিষয়ক বিশ্লেষক ও সহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি

এ জাতীয় আরো খবর

যানজট সমস্যা ও প্রতিকার : একটি পর্যালোচনা

যানজট সমস্যা ও প্রতিকার : একটি পর্যালোচনা

বাজেট ২০২১-২০২২ : জীবন ও জীবিকার চমৎকার সমন্বয়

বাজেট ২০২১-২০২২ : জীবন ও জীবিকার চমৎকার সমন্বয়

মানবহিতৈষী এক উপাচার্যের কথা

মানবহিতৈষী এক উপাচার্যের কথা

প্রজন্মের চেতনার বলয় বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু

প্রজন্মের চেতনার বলয় বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু

ভ্যাকসিন উৎপাদন ও প্রয়োগের নিশ্চিতকরণ জরুরি

ভ্যাকসিন উৎপাদন ও প্রয়োগের নিশ্চিতকরণ জরুরি

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস : শিশুবান্ধব নিরাপদ পৃথিবী চাই

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস : শিশুবান্ধব নিরাপদ পৃথিবী চাই