ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ ই-পেপার

ডিএমপির অভিযানে ১৭ মোটরসাইকেল উদ্ধার

‍বুলেটিন প্রতিবেদক :

২০২১-০৬-১০ ১৯:০৪:৩০ /

রাজধানী এবং কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রের আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। এই চক্রটি মোটরসাইকেল চুরির পর আকৃতি ও রঙ পাল্টে চাঁদপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) বিকেলে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মধুসূদন দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্তরা হলেন- মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. রুবেল, মো. সাগর মিয়া ওরফে ভাষানী, মো. বাবু, মো. আফজাল হোসেন, মো. রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাসেল, মো. ফারুক হোসেন ও মো. হেলাল হোসেন।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৭টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

এসি মধুসূদন আরও বলেন, রাজধানীর হাতিরঝিল মধুবাগ এলাকায় একটি গাড়ি চোরচক্রের কিছু সদস্য চোরাই মোটরসাইকেল কেনা-বেচার জন্য অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ৮ জুন বিকেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আবুল কালাম, রুবেল, সাগর, বাবু, আফজাল ও রাশেদুলকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল।

তিনি বলেন, গ্রেফতারদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে কুমিল্লার মুজাফফরগঞ্জ এলাকা থেকে ফারুক ও হেলালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসি মধুসূদন দাস আরও বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে যানবাহন চুরির পর তারা নিজেরা চালিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি এলাকায় দিয়ে আসে। এরপর এ চক্রের দলনেতা ফারুক চোরাই মোটরসাইকেলের আকৃতি-প্রকৃতি পরিবর্তন করে চাঁদপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করত।

এ ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় করা মামলায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এই চক্রের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশের উদ্ধার করা ১৭টি মোটরসাইকেলের মধ্য থেকে ১৬টির প্রকৃত মালিকরা উপযুক্ত প্রমাণ দেখিয়ে নিজের বাহনটি ফেরত পারেন। বাকি একটির বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ। মোটরসাইকেলগুলো হলো-

১. লাল রঙের অ্যাপাচি আরটি আর ১৫০ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- MD624HC10G2N44263।

২. লাল রঙের পালসার ১৫০ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বগুড়া-ল-১২-১২৫২ এবং চেসিস নম্বর- MD2A11CZ0FWE94588।

৩. নীল রঙের পালসার এনএস। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেল, চেসিস নম্বর MD2A820Z2GCK02990।

৪. নীল রঙের পালসার ১৫০ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর MD2A11CY5HWA89112।

৫. কালো রঙের সুজুকি ১৫০ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর NG4BW-110426 (ঝালাইয়ের কারণে অস্পষ্ট), ইঞ্জিন নম্বর- BGA1-662080।

৬. লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার, চেসিস নম্বর MBLJA06EZCGK00162।

৭. নীল ও কালো রঙের বাজাজ ডিসকভার। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর MD2A14AZ8EWK05490।

৮. নীল রঙের হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর MBLJA06ANGGM10575।

৯. কালো রঙের সুজুকি জিক্সার ১৫০ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- MB8NG4BAAF8130356।

১০. টিভিএস অ্যাপ্যাচি আরটিআর। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর পাঞ্চিং।

১১. লাল-কালো রঙের বাজাজ ভিসকভার ১২৫ সিসি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- PSUB44BY3LTM58623

১২. সাদা রংয়ের ইয়ামাহা ফেজার। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- 2CL31404889।

১৩. কালো রঙের বাজাজ প্লাটিনা রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন। চেসিস নম্বর- MD2A18AZ4FWK78896।

১৪. কালো রঙের ইয়ামাহা আর-ওয়ান-১৫ ভারসন-৩ (R-15V-3)। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন। চেসিস নম্বর- MH3RG4710LK142730।

১৫. কালো-সাদা রঙের আরটিআর টিভিএস অ্যাপ্যাচি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- MD634KE47F2F52838 এবং

১৬. লাল-কারো রঙের বাজাজ পালসার। রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেটবিহীন, চেসিস নম্বর- PSUA11CY8MTA88687।

বাবু/ফাতেমা

এ জাতীয় আরো খবর

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাবেন বিদেশগামী কর্মীরা

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাবেন বিদেশগামী কর্মীরা

গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করার নির্দেশ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করার নির্দেশ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা জোরদারের আহ্বান

পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা জোরদারের আহ্বান

বঙ্গবন্ধুর রচিত বই জাতির জন্য ঐতিহাসিক দলিল

বঙ্গবন্ধুর রচিত বই জাতির জন্য ঐতিহাসিক দলিল

সাত হাজার গার্মেন্টস শ্রমিককে ৯৩ কোটি টাকা সহায়তা

সাত হাজার গার্মেন্টস শ্রমিককে ৯৩ কোটি টাকা সহায়তা

ভারতের শীর্ষ রফতানি বাজারে চতুর্থ বাংলাদেশ

ভারতের শীর্ষ রফতানি বাজারে চতুর্থ বাংলাদেশ