ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

অসার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি : মানুষের মুক্তি কোথায়

শায়েখ আরেফিন :

২০২১-১০-৩০ ১৯:১৯:৫৪ /

মানবজাতির অন্তঃস্থ বিভাজন বহুমুখী, অসংখ্য, অগণিত। নারী-পুরুষ বিভাজন, শেতাঙ্গ-কৃষ্ণাঙ্গ বিভাজন, এশীয়-ইউরোপীয়-আফ্রিকী মহাদেশীয় বিভাজন, আরব-আফ্রিকায় অস্তিত্বশীল গোত্রীয় চেতনা, রাষ্ট্রভিত্তিক জাতীয়তাবোধ, হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ইত্যাদি ধর্মীয় চেতনাভিত্তিক বিভাজন, ধর্মের অভ্যন্তরে বিভাজিত উচ্চবর্ণ-নিম্নবর্ণ-শিয়া-সুন্নী-ক্যাথলিক-প্রোটেস্ট্যান্ট ইত্যাদি বহু ভাগ-উপভাগ, ভাষাভিত্তিক বিভাজন, আঞ্চলিক বিভাজন, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে দল-মত-ধনী-দরিদ্র বিভাজন, পুঁজিবাদ-সমাজতন্ত্রের বিভাজন অসংখ্যভাবে বিভাজিত রয়েছে মানব সমাজ। মানুষের চেতনায় থাকা এই বোধগুলো কখনো হয়ে ওঠে উগ্র; তন্মধ্যে ধর্মতাড়িত বোধ সবচেয়ে হিংস্ররূপে দেখা দিয়েছে যুগেযুগে। ক্রুসেড থেকে শুরু ক'রে আজ পর্যন্ত একসহস্র বছরের মানবেতিহাস পর্যালোচনা করলে ধর্মবোধের আগ্রাসী রূপ স্পষ্ট হয়। একবিংশ শতকেও ধর্মবোধ পৃথিবীজুড়ে সক্রিয়, কোথাও তীব্র আক্রমনাত্মক ও ধ্বংসাত্মক।

ধর্ম মানুষের জীবনকে যতোটা নিয়ন্ত্রণ করে অন্য চেতনাগুলো ততোটা করে না। ইসলাম ধর্ম এক্ষেত্রে সবচেয়ে কট্টর। মুসলমানরা বলে যে ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা (complete code of life)। প্রতিটি কাজ একজন মুসলমানকে ধর্মের বিধানমতে সম্পন্ন করার তাগিদ রয়েছে ধর্মগ্রন্থে। মুসলমানের জীবন খুবই ছকবাঁধা, তার জীবনের পাহারাদার ইসলাম। প্রতিমুহূর্ত, চব্বিশ ঘণ্টা, সাতদিন, বারোমাস একজন মুসলমানের জীবনকে ঘিরে রাখে ইসলাম; ইসলামি বিধান মান্যে রয়েছে পুণ্যের আশ্বাস, অমান্যে শাস্তিভীতি। এই দুই মুসলমানের চিন্তাকে ঘিরে রাখে। ফলে মুসলমানের ধর্মবোধ অন্য ধর্মাবলম্বীর চেয়ে তীব্র, প্রবল, প্রগাঢ়। আজকের পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় চেতনাতাড়িত সংঘাতের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় একদিকে রয়েছে মুসলমান, অন্যদিকে রয়েছে অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী; সর্বত্র মুসলমানদের অনিবার্য উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়। খ্রিস্টধর্মের বয়স যখন ছিল দেড়হাজার বছর তখন তা ছিল নিপীড়ক, মানবতাবিরোধী, প্রগতিবিমুখ, আগ্রাসী, ভয়ঙ্কর। ইবরাহিমী ধর্মের আরেকটি শাখা ‘ইসলাম’; ধর্মটির বয়স এখন দেড়হাজার বছর চলছে।

‘মুসলমান’ শব্দটি আলোচনায় আসলে দুটো বিশেষণ সামনে চলে আসে উদারপন্থী আর মৌলবাদী। উদারপন্থী মুসলমান পরিচয়ে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, মৌলবাদী পরিচয়ে কুণ্ঠা বোধ করে। মৌলবাদ হচ্ছে গোঁড়া ধর্মীয় মতবাদের কঠোর অনুগমনের চাহিদা যা সাধারণত উদার ধর্মমতের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া। মৌলবাদ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো মূলজাত। আদিকাল থেকেই ধারণাটি ধর্মের সাথে যুক্ত হয়ে আছে। খ্রিস্টান জগতে মৌলবাদ বা গোঁড়া ধর্মমত নিয়ে তর্ক শুরু হয় ষোড়শ শতকে, মার্টিন লুথারের ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সময়ে। তর্কের শিকড় একটি জায়গায় : বাইবেলে যা লেখা আছে সেসব অবিকল গ্রহণ করে মান্য করতে হবে, না-কি পরিবর্তিত পৃথিবীর বাস্তব প্রেক্ষাপট ও অগ্রগতির নিরীখে যুক্তি প্রয়োগ করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের পর তা গ্রহণ করতে হবে? সে-যুগে ক্ষমতা কাঠামোতে গির্জা আগে, তারপর রাষ্ট্র; তাই বাইবেলের কথাকে সন্দেহ করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা, অমান্য করা ছিল চরম ধৃষ্টতা। ইউরোপের মণীষীগণ মানুষকে প্রভাবিত করেছিলেন ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে, মৌলবাদীতার বিরুদ্ধে, গির্জার বিরুদ্ধে। জন লক, রুশো, ভলতেয়ার, মন্টেস্কু, কান্ট, হিউম, দেকার্তে, বার্ক, এডাম স্মিথ, স্পিনোজা প্রমুখ চিন্তকদের চিন্তা সমাজকাঠামো পরিবর্তনে মানুষের মনোজগৎ প্রস্তুত করে। ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ, ফরাসি বিপ্লব, গৌরবময় বিপ্লব, শিল্পবিপ্লব, আলোকায়ন পর্ব একেকটি উত্তরণ, মধ্যযুগীয় ধর্মতন্ত্র হতে সেক্যুলার গণতন্ত্রে; এসব বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেক্যুলার রাজনীতির কাঠামো দাঁড়িয়েছে ধীরে ধীরে। সেক্যুলারিজম হচ্ছে : যে-জগৎ ইন্দ্রিয়গোচর ও যুক্তিগ্রাহ্য এবং যে-জীবন জন্ম ও মৃত্যুর সীমায় আবদ্ধ, সেই জগৎ ও জীবন সম্পর্কে ঔৎসুক্য উৎকণ্ঠাকেই বলা যায় সেক্যুলারিজম বা ইহজাগতিকতা। ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপের তুলনীয় কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মসংস্কার আন্দোলন হয়নি। ডিরোজিওর অনুপ্রেরণায় মুক্তমনা প্রগতিশীল যুবকদের নিয়ে ‘ইয়ং বেঙ্গল সোসাইটি’ গঠিত হয়েছিল এবং রামমোহন ও বিদ্যাসাগর হিন্দু ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কার করেন। কিন্তু ইউরোপে দার্শনিক-চিন্তকদের প্রভাবে সংঘটিত বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজ যেভাবে আমূল পরিবর্তিত হয়েছে, সেক্যুলার সমাজ ও রাজনীতির ধারা সৃষ্টি হয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশে তেমন বিপ্লব ঘটেনি। এ অঞ্চলে সময়ের সাথে ধর্মের প্রভাব বেড়েছে, ধর্ম আবির্ভূত হয়েছে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায়; রাজনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, আইন, আবেগ, চেতনা, বাসনা, দৃষ্টিভঙ্গি সবই নিয়ন্ত্রণ করছে ধর্ম। বিগত তিন দশকে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামী মৌলবাদ প্রবলভাবে জেগে উঠেছে; এর প্রতিক্রিয়ায় হিন্দু মৌলবাদও জেগে উঠেছে। যারা নিজেদেরকে খাঁটি ধার্মিক পরিচয় দেয় তারা মৌলবাদী; অর্থাৎ প্রকৃত ধার্মিক মানে মৌলবাদী ধার্মিক। মৌলবাদী ধার্মিক অবিকল নির্দেশ মান্য করার পক্ষে, ধর্মের চাহিদাও তা-ই। যারা মৌলবাদী পরিচয়ে পরিচিত হতে লজ্জাবোধ করে তারা ধার্মিক নয়; উদারপন্থী-ধার্মিক দাবিকারী ধার্মিক নয়, সে ধর্মচ্যুত; সে হয় বিভ্রান্ত, না-হয় সুবিধাবাদী।

মূর্তি উন্নত স্থাপত্যকর্মের নিদর্শন। মূর্তি গড়তে প্রয়োজন শ্রম, কৌশল ও সৃজনশীলতা, ভাঙতে প্রয়োজন উন্মত্ত মন, বাহুবল ও অসহিষ্ণুতা। ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রারম্ভে ও প্রেরণায় রয়েছে মূর্তিধ্বংস। মক্কায় হুবাল দেবতার উপাসনালয়ে সংরক্ষিত ৩৬০টি মূর্তি উৎখাতের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলাম। প্রতিষ্ঠার সময়ই ইসলামে প্রণীত হয়েছে মূর্তি উৎখাতের দৃষ্টান্ত, এছাড়াও ধর্মগ্রন্থে রয়েছে এ সংক্রান্ত বহু নির্দেশ আর অনুপ্রেরণা। ইসলামে মূর্তিপুজোকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে প্রধান শত্রু, শিরককে (আল্লাহর সাথে অংশীদারত্ব করা) উল্লেখ করা হয়েছে অমার্জনীয় পাপ। ইসলামের প্রধান দুটি গ্রন্থে (কোরান ও হাদিস) মূর্তিবিরোধিতা সংক্রান্ত অনেক বাক্য রয়েছে। মূর্তি ভেঙে ইসলাম প্রতিষ্ঠার যে-দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে আরবে, এ যুগেও প্রকৃত অনুসারীগণ, অর্থাৎ মৌলবাদী মুসলমান মূর্তি ভেঙে সমাজে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে দায় কার?
বাংলাদেশে মুসলমানদের সাথে অমুসলমানদের যে-সম্প্রীতি রয়েছে তা সামাজিক সম্প্রীতি, তাকে  সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বলা যায় না। সামাজিক সম্প্রীতি পারস্পরিক প্রয়োজনে গড়ে ওঠে, কিন্তু মনে ধর্মবোধ লালন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে উঠতে পারে না। একমাত্র ধর্মহীনতাই মানুষকে সাম্প্রদায়িক চেতনামুক্ত করতে পারে। চিন্তায় সাম্প্রদায়িকতা ক্রিয়াশীল থাকে ব'লেই সুযোগ পেলে তা হিংস্রভাবে প্রকাশ পায়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ, মন্দির ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় জীবন ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। একটি জনশ্রুতির ওপর ভিত্তি করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আক্রমণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধারণকৃত ভিডিয়োতে দেখা গেছে যে কোনো হিন্দু নয়, ইকবাল হোসেন নামে জনৈক মুসলমান ওই ঘটনার জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী। অনুভূতিটা যদি কোরান অবমাননারই হতো তাহলে ইকবাল হোসেনের ঘরে স্পর্শকাতর মুসলমানরা আগুন জ্বালাতো। প্রকৃতপক্ষে এই আক্রমণ ধর্ম অবমাননার কারণে ঘটেনি, ঘটেছে হিন্দু তথা ভিন্নধর্মাবলম্বীদের প্রতি লালিত ঘৃণাবোধ, অসহিষ্ণুতা, জিঘাংসা ও স্বধর্মের শ্রেষ্ঠত্ববোধ থেকে। শ্রেষ্ঠত্ববোধের তাড়না কমবেশি সব ধর্মের মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। প্রতিটি ধার্মিকের কাছে তার ধর্মই শ্রেষ্ঠ। কাজেই ধর্ম রেখে সম্প্রীতি বৃদ্ধি করার মানে হলো কানা কলসিতে জল ঢালা। ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে তোলো’, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এসব স্লোগান প্রকৃত ধার্মিকের কাছে মূল্যহীন। এগুলো সম্প্রীতি বৃদ্ধিকারক হতে পারে না, বরং ধর্মের অন্ধকার দিকগুলোকে মানুষের দৃষ্টি থেকে আড়াল করে। ড. আহমদ শরীফ যথার্থই বলেছেন, ‘ধর্মীয় দর্শনের বিরোধিতা না করে সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা করা অর্থহীন শুধু নয়, তা মোনাফেকি অর্থাৎ হিপোক্রেসি।’

ধর্মের নামে শত অন্যায় অবিচার অত্যাচার হলে ধার্মিকের অনুভূতিতে আঘাত লাগে না, কিন্তু যখনই ধর্মের অসারতা সম্পর্কে বলা হয় তখনই ধর্মান্ধ কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষগুলোর ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে। যেমন, গত চার-পাঁচ বছরে বাংলাদেশে স্পর্শকাতর ধার্মিকরা সমকামিতার ‘অভিযোগে’ কয়েকজনকে হত্যা করেছে যা গণমাধ্যমে এসেছে। কিন্তু দেশের মাদরাসার ভেতরের একটি নিয়মিত ঘটনা শিশু বলাৎকার, যে বিষয়ে ওই স্পর্শকাতর ধার্মিকরা নিশ্চুপ। ২০২০ সালে একুশে বইমেলায় ‘বিষফোঁড়া’ নামে একটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশিত হয় যেখানে মাদরাসার ভেতরের জীবনযাপন তুলে ধরা হয়। বইটি নিষিদ্ধের দাবিতে মোল্লাগোষ্ঠী আন্দোলন শুরু করে, পরে নিষিদ্ধ হয়। শুধু বাংলাদেশ নয়, অন্যান্য দেশের মাদরাসার পরিবেশও একইরকম ব'লে জানা যায়; শুধু মাদরাসা নয়, গির্জার ফাদার ব্রাদার পাদরি যাজকদের দ্বারাও ঘটে বলাৎকারের ঘটনা। এসবক্ষেত্রে ধর্মানুভূতি নির্লিপ্ত থাকে কেন? উল্লিখিত সমকামী আর বলাৎকারের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য হলো, সমকামীরা একত্রিত হয় পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে, আর বলাৎকারের ঘটনাগুলো ঘটে বলপূর্বক। বস্তুত, ধার্মিকদের ধর্মানুভূতির স্পর্শকাতরতা আপেক্ষিক। ধর্ম কারও উপার্জনের উৎস, কারও কাছে ক্ষমতা অর্জনের হাতিয়ার। ধর্মের ব্যবহার সমাজে বহুরূপী। দার্শনিক সেনেকার উক্তিটি মনে পড়ছে : ধর্ম সাধারণ মানুষের কাছে সত্য, জ্ঞানীর কাছে মিথ্যে আর শাসকদের কাছে প্রয়োজনীয়। 

ব্রিটিশ পলিম্যাথ (polymath) দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল বলেন, ‘ধর্ম দাঁড়িয়ে আছে মূলত ভয়ের ওপর, রহস্যময়তার ভয়, পরাজয়ের ভয়, মৃত্যুর ভয়। ভয় নিষ্ঠুরতার জননী। কাজেই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে নিষ্ঠুরতা আর ধর্ম হাত ধরাধরি ক'রে চলছে। ধর্মকে আমি ভয় থেকে উৎসারিত ব্যাধি আর মানবজাতির অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশার উৎস বলে মনে করি।’ ধর্ম আধুনিক কোনো ভাবাদর্শ নয়, তা পুরোনো, পৌরাণিক, শ্রুতিনির্ভর। আধুনিকতা দাঁড়িয়ে আছে যুক্তিবাদের ওপর, আর ধর্মের ভিত্তি বিশ্বাসবাদ ও ভক্তিবাদ। বিশ্বাসবাদ আর ভক্তিবাদের সাথে সম্পর্ক আবেগের, অন্ধত্বের, অন্ধকারের, অজ্ঞানতার; যুক্তিবাদের সাথে সম্পর্ক জ্ঞানের, বিজ্ঞানের, বাস্তবতার। যেকোনো উগ্রবাদের মূলে রয়েছে অজ্ঞতা ও অন্ধবিশ্বাস। কোনো ধর্মবিশ্বাসই প্রামাণ্য নয়, তা অপ্রামাণ্য, অন্ধবিশ্বাস। তাই ধর্মবিশ্বাস মানুষকে একত্রিত করে না, বিভাজিত করে; সমান করে না, প্রভেদ করে; সৌম্য করে না, উগ্র করে; গতি দেয় না, স্থবির করে; মুক্ত করে না, আবদ্ধ করে। সেক্যুলারিজম এসব জরাজীর্ণতা সংকীর্ণতা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারে।

লেখক : বিশ্লেষক ও সমালোচক

বাবু/ফাতেমা

এ জাতীয় আরো খবর

অধ্যাপনা ও রাজনীতি : একটি ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ

অধ্যাপনা ও রাজনীতি : একটি ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ

সচেতনতা কমাতে পারে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি

সচেতনতা কমাতে পারে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি

বই পর্যালোচনা : মুজিব শতবর্ষের ইতিহাস (১৯২০-২০২০)

বই পর্যালোচনা : মুজিব শতবর্ষের ইতিহাস (১৯২০-২০২০)

শহীদ শেখ মণি ছিলেন যুবসমাজের আইকন

শহীদ শেখ মণি ছিলেন যুবসমাজের আইকন

পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

সারাদেশেই শিক্ষার্থীদের বাসে হাফপাস অধিকার

সারাদেশেই শিক্ষার্থীদের বাসে হাফপাস অধিকার