ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০ ই-পেপার

৩০ ব্যাংককে বিএসইসি’র চিঠি

বুলেটিন প্রতিবেদক :

২০২০-০৭-০১ ০০:১৪:৪১ /

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের বিষয়ে জানাতে তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

চিঠিতে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে ওই বিশেষ ফান্ড গঠন ও বিনিয়োগ সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ জুন) বিএসইসির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজারে তারল্য সমাধানে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এলক্ষ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রত্যেকটি ব্যাংকের জন্য ২০০ কোটি টাকার বিশেষ ফান্ড গঠনের জন্য সার্কুলার জারি করেছে।

এ বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ধারা ১১(২) অনুযায়ী, আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ফান্ড গঠন ও বিনিয়োগের তথ্য জানানোর জন্য বিএসইসি চিঠিতে অনুরোধ করেছে।

তারল্য সংকট ও আস্থাহীনতার কারণে শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক দরপতন দেখা দিলে গত ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চায়।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিবাচক সাড়া দেয়। অর্থ মন্ত্রণালয় শেয়ারবাজারে তারল্য সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয়।

এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশে বিশেষ তহবিল গঠন এবং বিনিয়োগের নীতিমালা বিষয়ে সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত যেকোনো তফসিলি ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

তহবিল গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, আর্থিক খাতের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পুঁজিবাজারে তফসিলি ব্যাংকসমূহের নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগের আইন রয়েছে। দেশের পুঁজিবাজার ও মুদ্রা বাজারের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনকারী হিসেবে তফসিলি ব্যাংকগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্রমাগত তারল্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান (মার্চেন্ট ব্যাংক ও ডিলার লাইসেন্সধারী ব্রোকারেজ হাউজ) এবং অন্যান্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজকে শুধুমাত্র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশে বিশেষ ব্যবস্থায় এ তহবিল সরবরাহ করা হবে।

তফসিলি ব্যাংকগুলো চাইলে নিজস্ব উৎস থেকে তহবিল যোগান দিতে পারে। এছাড়া ধারণকৃত ট্রেজারি বিল বা বন্ড এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে।

এছাড়া প্রথমে নিজ উৎস থেকে তহবিল গঠন করে পরবর্তীতে ট্রেজারি বিল বা বন্ড এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ অর্থ নেয়া যাবে। এই তহবিল থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ এর ২৬ ক ধারায় বর্ণিত বিনিয়োগ সীমা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

ব্যাংকসমূহের অতিরিক্ত তারল্য থেকে ট্রেজারি বন্ড বা বিল এর মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করতে হবে। ট্রেজারি বন্ড বা বিলের রেপো মূল্যের ৫ শতাংশ মার্জিন হিসেবে রেখে তারল্য সুবিধা দেয়া হবে। নগদ রেপোর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখে সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজের বাজার মূল্য আদায়যোগ্য অর্থ অপেক্ষা কম হলে তা ইতোপূর্বে গৃহীত মার্জিন থেকে সমন্বয় করা হবে। সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন হলে ব্যাংক তা দিতে বাধ্য থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৯০ দিন মেয়াদি রেপো প্রদান করা হবে। রেপোতে বর্ণিত সময়সীমা ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে পুনঃনবায়নের সুবিধা থাকবে। তবে এক্ষেত্রে তহবিল ব্যবহারের সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচ্য হবে।

বাবু/প্রিন্স

এ জাতীয় আরো খবর

শেয়ারবাজারে ১১শ কোটি টাকা লেনদেন

শেয়ারবাজারে ১১শ কোটি টাকা লেনদেন

ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৩৬৫ শতাংশ

ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৩৬৫ শতাংশ

২০১৯-২০ অর্থবছর : ৮৮ হাজার কোটি টাকা হারালেন বিনিয়োগকারীরা

২০১৯-২০ অর্থবছর : ৮৮ হাজার কোটি টাকা হারালেন বিনিয়োগকারীরা

৩০ ব্যাংককে বিএসইসি’র চিঠি

৩০ ব্যাংককে বিএসইসি’র চিঠি

সাউথইস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

সাউথইস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

লাভ-ক্ষতির তথ্য দিয়েছে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ১৫ কোম্পানি

লাভ-ক্ষতির তথ্য দিয়েছে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ১৫ কোম্পানি