ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

উচ্ছেদ আতঙ্কে ঝিনুক ব্যবসায়ীরা, অনিশ্চয়তায় ২’শ পরিবার

মাহাবুবুর রহমান, কক্সবাজার

২০২১-০২-২৩ ১২:১৪:৩৩ /

উচ্ছেদ আতঙ্কে ভুগছেন কক্সবাজার শহরের পুরাতন ঝিনুক মার্কেটের ব্যবাসায়ীরা। শুধু তাই নয় বাস্তুভিটা হারানোর শঙ্কাও এখানকার ব্যবসায়ীদের। সবমিলিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন পুরাতন ঝিনুক মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ও এর সাথে জড়িত ২ শতাধিক পরিবার। 

এই বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে এদিকে লীজ দলির সম্পাদনের জন্য সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। 

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৩ সাল থেকে কক্সবাজার মৌজার পুরাতন ঝিনুক মার্কেটের বি,এস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের বি,এস ২৩০৫ নম্বর দাগের ১ শতক করে খাস জমিতে ১৪ ব্যবসায়ী দোকান তৈরি করে ঝিনুক দিয়ে তৈরি দ্রব্যাদি শৈল্পিক তৈরি করে ব্যবসা করে আসছে। 

প্রত্যেক ব্যবসায়ীর জন্য একসনা বন্দোবস্তু মামলাও করা হয়। এই মামলামূলে ১৯৭৪-৭৫ সাল থেকে ২৩ বছরের অধিককাল সময় ধরে সরকারী কোষাগারে খাজনা আদায় করে। পরবর্তীতে এই ১৪ ব্যবসায়ী উক্ত তফসীলের খাসজমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করলে প্রত্যেকের নামে আলাদা বন্দোবস্ত মামলা রুজু করা হয়। 

দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত মামলা, উক্ত ১৪টি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত মামলার ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-ভূ:ম:/শা-৮/৩০৭/২০০০/৩৪৩, তারিখ-৩০/০৪/২০০৬ খ্রি. মূলে দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত অনুমোদন করা হয়। 

পরবর্তীতে পুরাতন ঝিনুক মার্কেটের ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-ভূ:ম:/শা-৮/৩০৭/২০০০/২৭, তারিখ-১৩/০১/২০১৪ খ্রি. মূলে ধার্য্যকৃত সালামির টাকা চার কিস্তিতে জমা প্রদানের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। 

সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের স্মারক নম্বও ২-৯৭/২০০৭-৪৫৫৪, তারিখ-২১/০৯/২০১৪ মূলে সমান চার কিস্তিতে সালামীর টাকা পরিশোধের জন্য ব্যবসায়ীদের নোটিশ প্রদান করায় ব্যবসায়ীরা বন্দোবস্তকৃত মামলার তফসীলোক্ত জমির সালামী বাবদ ধার্য্যকৃত টাকা ডি.সি আর মূলে চার কিস্তিতে পরিশোধ করে। 

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সর্বশেষ কিস্তির টাকা পরিশোধ করার পর বন্দোবস্ত দলিল সম্পাদন করার জন্য তারা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করে। স্ট্যাম্প দাখিল করার পর ৫ বছর অতিবাহিত হলেও জমির বন্দোবস্ত দলিল সম্পাদন করে না দেওয়ায় খতিয়ান সৃজন সম্ভব হয়নি বলে জানান এখানকার ব্যবসায়ীরা। 

পুরাতন ঝিনুক মার্কেটের ব্যবসায়ী মোক্তার আহমদ, ছৈয়দ আলম, পুলিন দত্ত, অনুপ পালসহ অনেকে বলেন, আমাদের লীজ দলির সম্পাদন না করে উল্টো বুল ডোজার দিয়ে দোকান গুঁরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে। এক প্রকারে আমরা (ব্যবসায়ীরা) উচ্ছেদ আতঙ্কে ভুগছি এবং চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছি। 

দেশি-বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণীয় এই ঝিনুক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে লীজ দলির সম্পাদনের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে ঝিনুক মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরও হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

এবিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজের ব্যবহৃত ০১৮৭২-৬১৫১০১ নাম্বার একাধিকবার কল করার পরও রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্যে নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

বাবু/জেআর

এ জাতীয় আরো খবর

নওগাঁ-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ

নওগাঁ-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ

মুন্সীগঞ্জে কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের অফিস ছাড়লেন কাদের মির্জা

কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের অফিস ছাড়লেন কাদের মির্জা

পিরোজপুরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ২০

পিরোজপুরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ২০

‘সাংবাদিকদের রেজাল্ট সীট দেওয়ার নিয়ম নেই’

‘সাংবাদিকদের রেজাল্ট সীট দেওয়ার নিয়ম নেই’

সোনাগাজীতে জাতীয় বীমা দিবস পালিত

সোনাগাজীতে জাতীয় বীমা দিবস পালিত