প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ এএম (ভিজিট : ১০)

X
সংগৃহীত ছবি
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুদদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুদদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই যারা মজুদদারিতে জড়িত, তাদের পরিণতি ভেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা উচিত।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, কৃষকরা কঠোর পরিশ্রম করে ফসল উৎপাদন করলেও অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। বাজারে পণ্য নিয়ে আসার পর বিভিন্ন ধরনের সিন্ডিকেট ও অতিরিক্ত ‘তোলা’র কারণে কৃষকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত ২ কেজি করে তোলা দিতে হতো। এরপর আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়ারা কৃষকের কাছ থেকে তোলা নেয়। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষক দিচ্ছে ৪৫ কেজি। এটা অন্যায্য। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তিনি আরও বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে বাজারব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সিন্ডিকেট ও মজুদদারির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সকল সেক্টরের সকল সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হয় আমরা সেদিকে এগিয়ে যাব। বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। আমরা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেবো। এরই মধ্যে সকল হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলবো, বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।
আইনমন্ত্রীর বাজার পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।