
X
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা jকরেন
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে যোগ দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশ রাজনৈতিক ও পেশাজীবী মহলে নতুন তাৎপর্য সৃষ্টি করেছে।
সকালে সমাবেশস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রতীকী বার্তা হিসেবেই এই কর্মসূচিকে দেখা হচ্ছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় সমাবেশস্থল করতালি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
ড্যাবের ৩৭ বছরের পথচলার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে চিকিৎসক সমাজ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও বলেন, একটি আধুনিক, মানবিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।
সমাবেশে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে আগত ড্যাবের নেতাকর্মী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যখাতের পেশাজীবীরা অংশ নেন। তাঁদের উপস্থিতি ড্যাবের সাংগঠনিক শক্তি ও স্বাস্থ্যখাতে পেশাজীবীদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই অংশগ্রহণ শুধু একটি পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে উপস্থিতি নয়; বরং স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সচেতনতা এবং গণমুখী রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতি সরকারের অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন। বিশেষ করে ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি বিএনপির পেশাজীবী অঙ্গনের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার বার্তা বহন করছে।
ড্যাব নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন সরকারের সময়ে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার, চিকিৎসকদের পেশাগত নিরাপত্তা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই সমাবেশে অংশ নেওয়া চিকিৎসকদের প্রত্যাশা— একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে স্বাস্থ্যখাতকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে।