
X
অভিষেক অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের
দেশ ও এলাকার মানুষের কল্যাণে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেছেন, বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতিকে একটি অরাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে।
শনিবার ৮ আগস্ট রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা-র নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ, অভিষেক ও বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বরুড়া উপজেলার ছোট-বড় প্রায় ৩০০টি রাস্তা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বরুড়ায় কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না এমন লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে জাকারিয়া তাহের বলেন, বরুড়ায় একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ এর টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও দোয়ার মাধ্যমে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে জনগণের কাছে নিয়মিত জবাবদিহি করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বরুড়ার সার্বিক উন্নয়নে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
সমিতির সভাপতি মো. শাহ আলম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রফেসর ডা. মো. রুহুল আমিন, আব্দুল হক, মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার ও নুরুল ইসলাম মিলন সমিতির কার্যক্রম, অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান, মো. আব্দুস সামাদসহ কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ ও অভিষেক সম্পন্ন হয়। পরে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং এলাকার মানুষের কল্যাণে গৃহীত নানা উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।